এটি একটি এআই দ্বারা তৈরি ছবি যা আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মূল ছবির আদলে তৈরি।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ এবং গণভোট অধ্যাদেশের আইনি বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের প্রেক্ষিতে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ গ্রহণ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ মার্চ, ২০২৬) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম শাহীনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বেলা ১১টার দিকে এই আদেশ দেন।
আদালত এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় বিবাদী করা হয়েছে: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
আইন সচিব
জাতীয় ঐক্যমত কমিশন
প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের।
শুনানিতে আইনজীবীদের অবস্থান আদালতে রিটকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই পরিচালনা করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও সৈয়দ মামুন মাহবুব। অন্যদিকে, রিটের বিরোধিতা করে বক্তব্য তুলে ধরেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু, ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী এবং অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। তাদের সহযোগিতায় ছিলেন একদল আইনজীবী।
এর আগে গত সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী রেদোয়ান-ই খোদা রনি ও অ্যাডভোকেট গাজী মো. মাহবুব আলম পৃথক দুটি রিট আবেদন করেন। আবেদনে জুলাই সনদ বাতিলসহ সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ অবৈধ ঘোষণার দাবি জানানো হয়।
উল্লেখ্য যে, এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ জনস্বার্থে আরও একটি রিট দায়ের করেছিলেন। সেখানে জুলাই জাতীয় সনদকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক দাবি করে এর কার্যকারিতা স্থগিত করার আবেদন জানানো হয়েছিল।

