Responsive Advertisement

লুটেরা গোষ্ঠীর লুটপাট বনাম গভর্নরের কঠোর সংস্কারের ময়নাতদন্ত"



চন্দন আজিজের এই বিশ্লেষণটি তথ্যবহুল হলেও এতে 'ব্যাঙ্কিং প্যারাডক্স' বা উভয়সংকটকে ব্যক্তিগত ব্যর্থতা হিসেবে দেখানোর একটি প্রচ্ছন্ন চেষ্টা রয়েছে। লেখক গভর্নরের টাকা না দেওয়ার সিদ্ধান্তকে 'গ্রাহকদের শত্রু' হওয়ার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যা মূলত একটি ভুল ন্যারেটিভ; কারণ ব্যাংকের তারল্য সংকটের জন্য দায়ী পূর্ববর্তী লুটপাটকারীরা, গভর্নর নন।

প্রতিবেদনে 'তলাবিহীন ঝুড়ি'র কথা বলা হলেও, সেই ঝুড়ি কারা তৈরি করেছে তাদের বিচারের চেয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের টেকনিক্যাল সিদ্ধান্তকে বেশি প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। ব্যাংক একীভূতকরণের (Merger) ফলে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, তাতে দায়টা লুটেরাদের চেয়ে গভর্নরের ওপর বেশি বর্তায়। এছাড়া, গভর্নরের 'বেশি কথা বলা'র অভ্যাসকে বড় ভুল হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা অর্থনীতির কাঠামোগত সংস্কারের তুলনায় নিতান্তই গৌণ। সামগ্রিকভাবে, লেখাটি গ্রাহকদের ব্যক্তিগত ভোগান্তিকে সামনে এনে ব্যাংকিং খাতের গভীর সংকটের মূল হোতাদের আড়াল করে সব দোষ গভর্নরের ঘাড়ে চাপানোর একটি কৌশলী প্রচেষ্টা মাত্র।

Prothom Alo News Link:- https://www.prothomalo.com/opinion/column/a3yw6gy5xl

Post a Comment

0 Comments