![]() |
| পরিবারের সকল সদস্যের সাথে হাস্যোজ্জ্বল বেগম জিয়া |
কেন বেগম জিয়াকে মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছেন?
মুজিবুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে দীর্ঘ ৯ মাস বন্দি থেকেও বেগম খালেদা জিয়া এবং তার পরিবার যে অসীম ধৈর্য ও দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়েছেন, তা ইতিহাসে বিরল। তিনি উল্লেখ করেন, এটি কোনো রাজনৈতিক চাটুকারিতা নয়, বরং ইতিহাসের এক নির্মম সত্য।তিনি আরও বলেন, "আমাদের প্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দুই সন্তানসহ পাকিস্তানিদের হাতে বন্দি ছিলেন। অবর্ণনীয় কষ্টের সেই দিনগুলো তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকো মায়ের সাথেই পার করেছেন। তাই বর্তমান সময়ে তাদের এই ত্যাগের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।"
১৯৭১ সালে যেভাবে বন্দি হয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া
১৯৭১ সালের মার্চ মাসে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বেগম খালেদা জিয়া তার দুই সন্তানসহ ঢাকা সেনানিবাসের ভেতরে আত্মগোপন করেছিলেন। তবে ১৬ জুন পাকিস্তানি বাহিনী বেগম জিয়াকে সেখান থেকে আটক করে। এরপর দীর্ঘ ৯ মাস তাকে ঢাকার মঈনুল রোডের একটি বাড়িতে কঠোর পাহারায় বন্দি করে রাখা হয়। ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি ও তার দুই শিশু সন্তান পাকিস্তানি হানাদারদের হাতে বন্দি অবস্থায় ছিলেন।সাংসদ মুজিবুর রহমান মনে করেন, এই দীর্ঘ বন্দিজীবন এবং পাকিস্তানি বাহিনীর অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন অবস্থান বেগম জিয়াকে একজন মুক্তিযোদ্ধার মর্যাদা দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।
বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে মুজিবুর রহমানের বক্তব্যটি হুবহু তুলে ধরা হলো
মুজিবুর রহমান বলেন, গত স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদের 71 সালের আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের মাতাসহ আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং তার সহদর ভাই পাকিস্তানিদের হাতে বন্দি ছিলেন। আমার জোর দাবি আমি নির্বাচনের আগে নয় রাজনৈতিক বক্তৃতায় বলতাম,যদি কোনদিন সুযোগ হয় বেগম খালেদা জিয়ার যে স্বাধীনতার যুদ্ধে অবদান সেজন্য তাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি এবং আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে খুশি করার জন্য নয়, তিনি নয় মাস বন্দী ছিলেন এবং তাকে একজন শিশু মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আর তার প্রিয় সহদর ভাই আমাদের ভাইকেও আমি শিশু মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দাবি করছি

