![]() |
| ২০২৪ এর পর নতুন কোন অপরাধে যুক্ত হয়নি, সংবাদ সম্মেলনে র্যাব |
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর তারা আর কোনো মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়নি। তবে এই আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে সংস্থাটির অতীত কর্মকাণ্ড এবং তাদের বিরুদ্ধে ওঠা গুরুতর অপরাধের অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করা অত্যন্ত জরুরি। র্যাবের অতীত ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, খুন, নির্যাতন এবং রাজনৈতিক নিপীড়নের একটি দীর্ঘ ও অন্ধকার চিত্র ফুটে ওঠে।
র্যাবের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও 'ক্রসফায়ার' সংস্কৃতি
র্যাবের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় এবং প্রচলিত অভিযোগ হলো 'ক্রসফায়ার' বা 'বন্দুকযুদ্ধ'-এর নামে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড। সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই অপরাধ দমনের নামে শত শত মানুষকে আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই হত্যা করার প্রমাণ রয়েছে। র্যাবের পক্ষ থেকে সাধারণত দাবি করা হতো যে, কোনো অপরাধীকে ধরতে গেলে তার সহযোগীরা গুলি চালায় এবং আত্মরক্ষার্থে র্যাব পাল্টা গুলি চালালে অপরাধী নিহত হয়।তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তদন্তে দেখা গেছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিহতের শরীরে খুব কাছ থেকে গুলি করার চিহ্ন পাওয়া যেত এবং ঘটনাস্থলে র্যাব সদস্যদের আহতের ঘটনা থাকতো খুবই নগন্য। এই 'ক্রসফায়ার' সংস্কৃতি বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একটি ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করেছিল। ২০০৪ থেকে ২০২৪ সালের পূর্ব পর্যন্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার হিসেবে কয়েক হাজার মানুষ এই ধরণের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।
এর মধ্যে রাজনৈতিক নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। এই হত্যাকাণ্ডগুলো আন্তর্জাতিক আইনে সরাসরি ভাবে মানবতাবিরোধী অপরাধ। কারণ এখানে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো সুযোগ না দিয়ে রাষ্ট্রের সরাসরি হস্তক্ষেপে প্রাণ কেড়ে নেওয়া হতো।
যেভাবে র্যাব রাষ্ট্রীয় গুন্ডা বাহিনী খেতাব অর্জন করে
গুম বা 'এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স' র্যাবের বিরুদ্ধে ওঠা অন্যতম নৃশংস অভিযোগ। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে র্যাবের বিরুদ্ধে বিরোধীদের তুলে নিয়ে গিয়ে বছরের পর বছর গোপন বন্দিশালায় (যা পরবর্তীতে 'আয়নাঘর' হিসেবে পরিচিতি পায়) আটকে রাখার অসংখ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারগুলোর আহাজারি গত এক দশকে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির চরম অবনতির প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো সংস্থাগুলো বারবার র্যাবকে একটি 'ডেথ স্কোয়াড' বা জল্লাদ বাহিনী হিসেবে অভিহিত করেছে। বিশেষ করে ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম এবং আরও অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সামরিক কর্মকর্তাদের নিখোঁজ হওয়ার পেছনে র্যাবের সম্পৃক্ততার অসংখ্য প্রমাণ মিলেছে।
অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, সাদা পোশাকে র্যাব পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আর কোনোদিন ফিরে আসেননি অথবা কয়েক মাস বা বছর পর তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। অথবা হত্যা করে লাশকে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই গুমের সংস্কৃতি সমাজে এমন এক আতঙ্কের জন্ম দিয়েছিল যে, মানুষ প্রকাশ্যে সরকারের সমালোচনা করতে ভয় পেত।
টেকনাফের একরামুল হকের হত্যাকান্ড নাড়িয়ে দেয় সারা বিশ্বকে
![]() |
| র্যাবের হাতে নিহত একরামুল হক |
ভিন্নমত দমন ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিঃশেষ করার মিশনে র্যাব
র্যাবকে শুধুমাত্র অপরাধ দমনের জন্য ব্যবহার না করে অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন, গ্রেফতার এবং নির্যাতনের ক্ষেত্রে র্যাবের ভূমিকা ছিল প্রধান। বিশেষ করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় সাংবাদিক, লেখক এবং অধিকার কর্মীদের গ্রেফতার ও হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ র্যাবের ভাবমূর্তিকে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।সেসময় লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যু ছিল এই ধরণের নিপীড়নের একটি চরম উদাহরণ। ২০২০ সালের ৬ মে দিবাগত রাতে (আনুমানিক ১:০০টা) র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৩) লেখক মুশতাক আহমেদকে ঢাকার লালমাটিয়ার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে। যদিও তিনি সরাসরি র্যাবের হেফাজতে মারা যাননি, তবে তাকে গ্রেফতার এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র্যাবের কঠোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে র্যাবকে দিয়ে মিথ্যা মামলা দেওয়া বা অস্ত্র দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার ঘটনাগুলো ছিল নিত্যনৈমিত্তিক।
আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞায় র্যাব
র্যাবের এই দীর্ঘকালীন মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র র্যাব এবং এর সাতজন শীর্ষ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর স্পষ্ট করে জানায় যে, র্যাব বাংলাদেশে আইনের শাসনকে অবজ্ঞা করে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের সাথে জড়িত। এই নিষেধাজ্ঞাটি ছিল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে র্যাবের অপরাধের এক বিশাল স্বীকৃতি।এর ফলে সংস্থাটির কার্যক্রম এবং তাদের কমান্ড স্ট্রাকচারের ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ ছিল এই বাহিনীর লাগামহীন ক্ষমতা এবং জবাবদিহিতার অভাব। জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনেও র্যাব সদস্যদের অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা সোচ্চার হয়ে ওঠে, কারণ তারা মনে করত যারা নিজ দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে, তারা বিদেশে শান্তি রক্ষা করতে পারে না।
র্যাবের বিরুদ্ধে যত অমানবিক নির্যাতনের প্রমাণ
র্যাবের হেফাজতে থাকাকালীন বন্দিদের ওপর অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ অত্যন্ত ভয়াবহ। আটককৃত ব্যক্তিদের স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য ইলেকট্রিক শক দেওয়া, নখ উপড়ে ফেলা, রশিতে বেঁধে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখা এবং গোপন অঙ্গের ক্ষতি করার মতো লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন ফিরে আসা অনেক ভুক্তভোগী।গুম হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে যারা ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর মুক্তি পেয়েছেন, তাদের বয়ানে উঠে এসেছে অন্ধকার জগতের সব লোমহর্ষক বর্ণনা। এই ধরণের দীর্ঘমেয়াদী বন্দিত্ব এবং নির্যাতন আন্তর্জাতিক রোম স্ট্যাটিউট অনুযায়ী মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। রাষ্ট্রের সম্পদ এবং জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পরিচালিত একটি বাহিনী যখন নিজেই নিজের জনগণের জন্য ত্রাস সৃষ্টিকারী হিসেবে আবির্ভূত হয়, তখন তা গণতন্ত্রের জন্য চরম হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।
র্যাবের অতীত কর্মকাণ্ডের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর রিপোর্ট
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (Human Rights Watch - HRW) এর রিপোর্ট
- "Crossfire: Continued Human Rights Abuses by Bangladesh’s Rapid Action Battalion" (২০১১): এই রিপোর্টে র্যাবের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিশদ বিবরণ দেওয়া হয় এবং সংস্থাটিকে ভেঙে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল।
- "Where No Sun Can Enter" (২০২১): এটি গুম বা এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্সের ওপর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্ট। এখানে র্যাবের গোপন বন্দিশালার অস্তিত্ব এবং তুলে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়।
- এছাড়া প্রতি বছরই তাদের 'World Report' এ বাংলাদেশের র্যাবের মাধ্যমে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের চিত্র আলাদাভাবে ফুটিয়ে তুলা হতো।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল (Amnesty International)
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল র্যাবের 'বন্দুকযুদ্ধ' এবং রাজনৈতিক দমনের ওপর নিয়মিত রিপোর্ট প্রকাশ করে এসেছে:- "In Cold Blood" (২০১৪): বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সাক্ষ্য এবং প্রমাণসহ এই রিপোর্টটি র্যাবের ইমেজকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রশ্নের মুখে ফেলেছিল।
- "Killed in 'Crossfire'" (২০১৮): বাংলাদেশে ২০১৮ সালের মাদকবিরোধী অভিযানের সময় কীভাবে আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই শত শত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, তার ওপর এই বিশেষ রিপোর্টটি তৈরি করা হয়।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (ASK) - দেশীয় রিপোর্ট
বাংলাদেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য মানবাধিকার সংস্থা 'আইন ও সালিশ কেন্দ্র' প্রতি বছর এবং প্রতি মাসে মানবাধিকার লঙ্ঘনের পরিসংখ্যান প্রকাশ করে।- তাদের ওয়েবসাইটে ২০০৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত র্যাবের হাতে নিহতের সংখ্যা, গুমের শিকার ব্যক্তিদের সংখ্যা এবং হেফাজতে নির্যাতনের বিস্তারিত ডেটাবেজ রয়েছে।
- গুম ও হত্যা বিষয়ক বিশেষ বুলেটিন: গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের জবানবন্দি এবং র্যাবের সংশ্লিষ্টতার ওপর তাদের অসংখ্য অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রয়েছে।
অধিকার (Odhikar)
মানবাধিকার সংস্থা 'অধিকার' বাংলাদেশে গুম এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের তথ্য সংগ্রহে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স রিপোর্ট: তারা প্রথম দিকেই র্যাবের মাধ্যমে নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তিদের তালিকা জনসমক্ষে নিয়ে আসে। তাদের বার্ষিক রিপোর্টগুলোতে র্যাবের কার্যক্রমের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের রিপোর্ট (US State Department Reports)
প্রতি বছর মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে 'Country Reports on Human Rights Practices' প্রকাশিত হয়। ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ এবং পররাষ্ট্র দপ্তর র্যাবের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা জারি করে, তার সাথে একটি বিস্তারিত ফ্যাক্টশিট প্রকাশ করা হয়েছিল। সেখানে র্যাবকে "গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী" সংস্থা হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।জাতিসংঘের গুম বিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপ (WGEID)
জাতিসংঘের এই বিশেষ গ্রুপটি বাংলাদেশে গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধানে সরকারের কাছে বারবার জবাবদিহিতা চেয়ে চিঠি দিয়েছে। তাদের রিপোর্টে র্যাব এবং অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে সংঘটিত গুমের ঘটনাগুলোকে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের বিষয় হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।নেত্র নিউজ
'আয়নাঘর' ইনভেস্টিগেশন: নির্বাসিত সাংবাদিকদের দ্বারা পরিচালিত নেত্র নিউজ 'আয়নাঘর' বা গোপন ডিটেনশন সেন্টারের ওপর যে তথ্যচিত্র এবং রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, সেখানে র্যাবের সংশ্লিষ্টতা এবং গুম হওয়া ব্যক্তিদের দীর্ঘ নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।র্যাবকে কার্যকর বিচারের আওতায় আনার দাবি ভুক্তভোগীদের
র্যাবের বিরুদ্ধে এমন শতশত প্রমাণ থাকা সত্বেও দোষীরা আজো ধরাছোঁয়ার বাইরে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর র্যাবের দাবি অনুযায়ী তারা নতুন কোনো অপরাধে লিপ্ত না হলেও, অতীতের এই কালিমালিপ্ত ইতিহাস মুছে ফেলা সম্ভব নয়। সংস্থাটির সংস্কার এবং অতীতের প্রতিটি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও গুমের সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া জরুরি।র্যাবের কর্মকর্তাদের ওপর অর্পিত দায়ভার নিরূপণ করে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে ন্যায়বিচার প্রদান করা না গেলে সমাজ থেকে ভয়ের সংস্কৃতি দূর হবে না। মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী কোনো বাহিনী যদি কেবল 'আদেশ পালন' করার দোহাই দিয়ে পার পেয়ে যায়, তবে ভবিষ্যতে পুনরায় এমন অপরাধ সংগঠনের পথ উন্মুক্ত থাকবে।
তাই অতীতের এই মানবতাবিরোধী অপরাধগুলোর পূর্ণাঙ্গ শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং দোষীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করাই ভুক্তভোগীদের জন্য ন্যায়বিচার। র্যাবকে যদি একটি আধুনিক, পেশাদার এবং মানবাধিকার রক্ষা করার বাহিনী হিসেবে পুনর্গঠিত করতে হয়, তবে তাদের অতীতের প্রতিটি কালো অধ্যায়ের হিসাব চুকানো অপরিহার্য।


